logo

মুসলমান দেশে বৈশাখে উৎসব ভাতা কার্যকর করা যাবে না

প্রথমত: বাংলা সন বলে কোনো সনের অস্তিত্বই নেই। কারণ সম্রাট আকবর ৯৯৩ হিজরী সনে ফসলী সন প্রবর্তন করে এবং ৯৬৩ হিজরী সনের ২রা রবীউছ ছানী থেকে তা জারি করে।

দ্বিতীয়ত: এটি কোনো বাঙালি ঐতিহ্য নয়, কারণ ফসলী সন (বাংলা সন) -এর প্রবর্তক বাদশাহ আকবর এদেশীয় বাঙালি ছিলো না বা বাংলাভাষীও ছিলো না, এমনকি বাংলাদেশীও ছিলো না।

তৃতীয়ত: উপলব্ধির বিষয় হচ্ছে- ভিনদেশী লোক দ্বারা প্রবর্তিত এবং রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার পরিপন্থী বৈশাখ পালন করার জন্য বৈশাখে উৎসব ভাতা কার্যকর করা যাবে না।

নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল ৯৮ % মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।

হযরত ইমাম আবু হাফস্ কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবে।”

নববর্ষ পালন করার অনুমতি রাষ্ট্রধম ইসলাম এ নেই। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-: কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ কর না।পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে ,“হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই ব্যক্তি আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে বিজাতীয়দের সাথে সাদৃশ্য রাখে।” (মিশকাত শরীফ)

অতএব, পহেলা বৈশাখ, পহেলা জানুয়ারি, পহেলা মুহররম ইত্যাদি নববর্ষ পালন করার জন্য উৎসাহিত করা এবং সাথে সাথে ভাল খাওয়া-পড়ার জন্যও উৎসাহিত করা, বৈশাখ উৎসব ভাতা কার্যকর করা কাট্টা হারাম ও কুফরী যা থেকে বিরত থাকা ও বেঁচে থাকা ৯৮%মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন, “তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।”

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকার মুসলমানগণ উনাদের টাকা কস্মিনকালেও হারাম ও কুফরী কাজে ব্যয় করতে পারে না।

সরকার যদি কোনো ভাতা দিতেই চায়, তবে ৯৮ ভাগ মুসলমানগণ উনাদের সবচেয়ে বড় ঈদ “পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ” এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর, পবিত্র ঈদুল আযহাসহ যেকোনো দ্বীনী বিষয় উপলক্ষে ভাতা দিতে পারে। বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস করবে না’ এবং দেশের জনগণের শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগই হচ্ছেন মুসলমান এবং রাষ্ট্রদ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত ইসলাম।

সরকারের উচিত মুসলমানদের ধর্মীয় ছুটিগুলো আরো বর্ধিত করা তথা রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও প্রতিক্ষেত্রে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাকে প্রাধান্য দেয়া। বৈশাখে উৎসব ভাতা কার্যকর না করা ।

অতএব ‘নববর্ষ ভাতা’ বাতিল করে সম্মানিত দ্বীনী বিষয়ে ভাতা প্রদান কর। পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ভাতা কার্যকর কর ।

Comments are closed.







প্রধান সম্পাদক : ফজলুল হক জোয়ারদার আলমগীর, সহ-সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন শরীফ।
বার্তা সম্পাদক - মাসুম পাঠান, প্রধান কার্যালয়: ১৩/এ মনেশ্বর রোড, হাজারিবাগ, ঢাকা- বাংলাদেশ।
জোনাল অফিস: বাংলাদেশ কম্পিউটার এন্ড টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট, কটিয়াদী বাজার (অগ্রনী ব্যাংক নিচতলা), কিশোরগঞ্জ।
ফোন : ০১৭১১-১৮৯৭৬১, ০১৭১১-৩২৪৬৬০, ০১৭৩২-১৬৩১৫৭।
ই-মেইল: news@ghatanaprobaha.com, ওয়েবঃ- www.ghatanaprobaha.com
ডিজাইন: একুশে